
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (৮ জুন) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে এতথ্য জানা গেছে।
পাসপোর্ট না দেখেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ফজল মাহমুদকে কাতারে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ঘটনায় তাকে বরখাস্ত করা হল।
জানা গেছে, পাইলট ফজল মাহমুদের কাছে আমাদের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা পাসপোর্ট চেয়েছিলেন। এর জবাবে পাইলট বলেছিলেন, পাসপোর্ট তার ব্যাগে। যেহেতু পাইলট সবসময় যাওয়া-আসা করেন, তিনি সিনিয়র পাইলট, তাই তার কথায় ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশ্বাস করেছিল।
প্রসঙ্গত, পাসপোর্ট ছাড়াই কাতারে চলে যান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। বিদেশ সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিমানের বোয়িং-৭৮৭ উড়োজাহাজ নিয়ে যান তিনি।
এদিকে, শনিবার দুপুরে র্যাব সদর দফতর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, পাইলট ভুল করে পাসপোর্ট নেননি।’
তিনি বলেন, ‘পাইলট ভুল করেই এটা করেছেন। বিমানবন্দরে দুই-তিন জায়গায় চেক হয়। তারপরও তিনি চলে গেছেন। আমাদের ইমিগ্রেশনে তিনি ফিংগার প্রিন্ট দিয়েছেন। ইমিগ্রেশন পুলিশ জেনারেল ডিক্লারেশন দেখেছেন। পাসপোর্ট দেখতে চাইলে সবসময় পাইলটরা বলেন, পকেটে আছে। এরপরও আমাদের ইমিগ্রেশন পুলিশের গাফিলতির কারণে ইতোমধ্যে তাকে সাসপেন্ড করেছেন পুলিশ প্রধান। এখানে গাফিলতি হয়েছে। তবে আমি বলবো, এটি প্রধানমন্ত্রীর বিমান, তাই এই ভুলটা করা পাইলটের উচিত হয়নি। ইমিগ্রেশন পুলিশেরও উচিত ছিল পাসপোর্ট দেখা। এমন গাফিলতির কারণেই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা তদন্ত করছি। তদন্তের পর বিস্তারিত আরও জানা যাবে।’
















