
জিতলে করা প্রয়োজন ছিলো ৩০৮ রান। এটাই এবারের বিশ্বকাপে নিয়মিতই তাড়া করতে হবে দলগুলোকে। দেশ ছাড়ার আগে মুশফিকুর রহিমও বলেছেন, সাড়ে তিন শ রান তাড়া করার অনুশীলন করছে দল। অনুশীলনের ফল প্রস্তুতি ম্যাচে মিলল না। আয়ারল্যান্ড উলভস বা ‘এ’ দলের বিপক্ষেই ২১৯ রানে অল আউট হেয়ে গেছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় দলের কাছে ৮৮ রানের পরাজয় মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন।
বাংলাদেশ দলকে হতাশ করবে দল যেভাবে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছে সে ধারাটা। প্রবল ঠান্ডার সঙ্গে দল মানিয়ে নিতে পারেনি ফিল্ডিংয়ের সময়। সেটা যে ব্যাটিংয়েও বজায় থাকবে সেটা কে জানত! উদ্বোধনী জুটিতে ৫৬ রান তোলার পর মনে হয়েছিল ঠিক পথেই এগোচ্ছে দল। কিন্তু স্কোরবোর্ডকে নড়ার সুযোগ না দিয়ে দুই ওপেনারই ফিরলেন। এরপর ২৬ রানের জুটি গড়ে মুশফিকও (১১) বিদায় নিয়েছেন। সাকিবের সঙ্গে মিঠুনের (১৩) সঙ্গ দানে এসেছে ১৫ রান। আক্রমণকেই মূল মন্ত্র মেনে পালটা জবাব দিচ্ছিলেন সাকিব। ৩০ ওভারের মধ্যে দেড় শ ছাড়িয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ।
৪৩ বলে ৫৪ রান করে ফিরেছেন আজকের অধিনায়ক সাকিব। এরপরই আবার ধাক্কা। দুই বল পরেই শূন্য হাতে বিদায় সাব্বিরের। এর পর একে একে মিরাজ, মাহমুদউল্লাহরা বিদায় নিয়েছেন। দলও পরাজয় মেনে নিয়েছে ৭ ওভার হাতে রেখেই!
















